ঢাকা | বঙ্গাব্দ

বরিশালে বসত ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ

  • প্রতিনিধির নাম :নিজস্ব প্রতিবেদক : মাইদুল ইসলাম মামুন , বরিশাল | নিউজটি দেখেছেনঃ 15739 জন
বরিশালে  বসত ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ ছবির ক্যাপশন:
ad728
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল ইউনিয়নের কাজলাকাঠী গ্রামে বসত ঘরের প্রধান দরজার সামনে দেয়াল নির্মাণ করে চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়েছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কাজলাকাঠী গ্রামের আশ্রাফ আলী মৃধার ছেলে আতিকুর রহমান মনির তার পৈত্রিক সম্পত্তিতে একটি বসত ঘর নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছে। এবং ঘরের প্রধান প্রবেশপথ হিসেবে সামনের দরজাটি ব্যবহার করত। সম্প্রতি প্রতিবেশী মৃত আবুল কালামের মেয়ে মোহসিনা কচি পূর্ব বিরোধের জেরে ওই দরজার সামনে দেয়াল নির্মাণ করেন। এতে ঘরে প্রবেশ ও বের হওয়ার একমাত্র পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

ভুক্তভোগী আতিকুর রহমান মনির জানান, বাড়ির সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত প্রতিপক্ষের সাথে একটি আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। হঠাৎ করেই প্রতিবেশী মোহসিনা কচি বিরোধী সম্পত্তিতে আলোচনা ছাড়াই দেয়াল নির্মাণ করেছেন। এতে শিশু, নারী ও বৃদ্ধ সদস্যদের চলাচলে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়াও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠকের চেষ্টা করা হলেও এখনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। অনেকেই মনে করছেন, ব্যক্তিগত বিরোধের জেরেই এমন ঘটনা ঘটেছে।

ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। তারা বলেন, একটি পরিবারের স্বাভাবিক বসবাসের অধিকার বাধাগ্রস্ত করা অত্যন্ত অমানবিক।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোহসিনা কচি বলেন, আমরা আমাদের নিজস্ব সম্পত্তিতে দেয়াল নির্মাণ করেছি। অন্যের জমিতে নির্মাণ করিনি। কারো চলাচলের পথ আটকে গেলে আমাদের কিছু করার নেই।

বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি জানান, এ বিষয়ে আমরা এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : স্বদেশ সময়

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত: ডা. জাহিদ

খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত: ডা. জাহিদ