সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির এক নেতা বলেন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ‘মঙ্গল’ ও ‘আনন্দ’ শব্দ বাদ দিয়ে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামকরণ করলেও এই আয়োজন সাংস্কৃতিক আগ্রাসনমুক্ত থাকবে কি না—তা নিয়ে তাদের সন্দেহ রয়েছে। তবে তারা শিরকমুক্ত ও শালীনভাবে সাংস্কৃতিক র্যালি করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইসলামের দৃষ্টিতে তাওহিদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়—এমন শালীন আনন্দ ও সংস্কৃতি চর্চায় আপত্তি নেই। তবে ‘মঙ্গল’ ধারণাকে শিরক হিসেবে উল্লেখ করে তা পরিহারের কথা বলা হয়।
হেফাজতের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বৈশাখে বাঙালি মুসলমানদের নিজস্ব ঐতিহ্য তুলে ধরা যেতে পারে, তবে প্রাণীর মূর্তি বা প্রতিকৃতি প্রদর্শন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এছাড়া তারা দাবি করে, বঙ্গাব্দ প্রবর্তনে হিজরি সনের প্রভাব রয়েছে এবং মুসলিম শাসনামলে বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সমৃদ্ধ হয়েছে। বিবৃতিতে সমসাময়িক সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর কিছু বক্তব্যের সমালোচনাও করা হয়।
সার্বিকভাবে, পহেলা বৈশাখ উদযাপনে ধর্মীয় মূল্যবোধ অক্ষুণ্ন রেখে বিকল্প সাংস্কৃতিক আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংগঠনটি।
স্বদেশ সময়